Pages

Sunday, September 28, 2014

Windows movie maker installation in Windows 7 and Windows 8

You can use Windows movie maker in Windows 7 and Windows 8, just download and install
from below --

Sunday, April 29, 2012

DropBox এ ফাইল শেয়ার করার পদ্ধতি - How to use dropbox


 আমরা বিভিন্ন সময় অন্যের (mail ,messeg, chat, comment etc) কাছে বড় ফাইল পাঠাতে চাই কিন্তু পারিনা ।
আসুন দেখে নেই কি করা যায়।

Friday, April 27, 2012

আসুন বিরক্তিকর ADF.LY হতে বাঁচি

ইন্টারনেট ব্যাবহারের সময় DOWNLOAD ও অন্য সাইট এ যাওয়ার লিঙ্ক গুল অধিকাংশ সময় adf.ly হয়ে থাকে ।
যা আমাদের 5sec. সময় কেড়ে নেয় । এবং মাঝে মেঝে তা বিরক্তি উৎপাদন করে । এবার জেনেনেই কিভাবে এথেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আসুন IDM এর Crack Patch হতে বাঁচি , নিজের নামে করি Internet Download Manager Registration

Internet Download Manager প্রায়ি আপডেট ছাড়ে । এবং আমাদের পরতে হয় Crack Patch এর ঝামেলায়। এর অধিকাংশ থাকে virus যুক্ত । তাই আসুন দেখি কিভাবে নিজের নামে নিজেই Internet Download Manager Registration করা যায়।

Thursday, April 26, 2012

রেডিও ফুর্তি লাইভ শুনুন

এই লিঙ্কে -- http://udashimon.weebly.com/
 ভুত এফ এম রেডিও ফুর্তি লাইভ শুনুন redio furty, radio foorti live , vut fm , airtel vute fm, redio foorti online, radio foorti live streem

Friday, February 17, 2012

Windows movie maker এ বাংলা লেখা

Windows movie maker এ বাংলা লেখার জন্য অভ্র হলে, প্রথমে অভ্র থেকে বিজয়ে কনভার্ট করতে হয় । ( বিজয় ইন্সটল থকলে ১ম Step প্রয়োজন নেই )

Tuesday, February 14, 2012

কম্পিউটারে Pen-drive Write-protect সমস্যায় পড়েছেন?

যারা কম্পিউটারে Pen-drive Write-protect সমস্যায় পড়েছেন?

সঠিকভাবে অনুসরণ করুনঃ
এই পন্থাগুলো দিয়ে সমস্যার সমাধান না হলে, আপনি আপনার পেন-ড্রাইভকে ফরমেট দিন।

Thursday, February 2, 2012

ফায়ারফক্স ব্রাউজারের স্পীড বাড়াবেন কিভাবে?

~ এক ক্লিকে ফায়ারফক্স ব্রাউজারের স্পীড বাড়াবেন কিভাবে? ~

আসুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে?

MediaFire Downloadথেকে সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন। ইন্সটল করুন। ব্যাস হয়ে গেলো। আরো অনেক উপায়ে ফায়ারফক্সের স্পীড বাড়ানো যায়, আমার মতে এটাই সবচেয়ে সহজ উপায়।
সাইজ মাত্রঃ ৪৬৮ কিলোবাইট

ব্লগে পোস্টের কিছু খুঁটি নাটি


বড় দেখার জন্য ছবিতে চাপদিন।

Tuesday, January 31, 2012

বই ডাউনলোড করুন ফ্রীতে

কি বই লাগবে শুধু নাম মনে করুন আর ডাউনলোড করুন ফ্রীতে একদিন নীলক্ষেত বই কিনতে গিয়ে অবাক হয়ে গেলাম। ছোট ছোট বই ২৫০+ দাম কি আর কিনব,অনেক বই কিনার ইচ্ছা থাকলেও ২ কিনে বাসায় ফিরলাম। বাসায় এসে চিন্তা করছি, কিভাবে ঐ বই গুলো ফ্রী পাওয়া যায়। নেটে সার্চ করলাম এবং পেয়ে গেলাম কিন্তু পড়ে গেলাম মহা ঝামেলায় সব বই এর পাশে ৳৳ সিম্নল। যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত হয়। যাই হোক অবশেষে চলে গেলাম google এর লাইবেরীতে, ফ্রী তে পড়ি আর ভাবি কিভাবে সেভ করব। একদিন খুজতে খুজতে একটা সফটওয়্যার পেয়ে গেলাম, যার মাধ্যমে google লাইবেরীর সব বই ডাউনলোড করা যায় এবং অফলাইনে পড়া যায়। কিভাবে ডাউনলোড করবেনঃ এই ছবি গুল দেখুন এর পর ডাউনলোড শেষ হওয়া পর্যন্ত ওয়েট করুন ডাউনলোড দেশ হইলে বইটি pdf ফাইল হিসাবে আমার “My document” ফোল্ডারে সেভ হবে। নুতন করে বলার কিছু নেই google এর লাইবেরীতে কি কি বই পাওয়া যায়। কারন এমন কোন বই নাই যেটা google এর লাইবেরীতে নেই। বই ডাউনলোড করার সফটওয়্যার ডাউনলোড লিঙ্ক তাই আজ থেকে আপনিও আমার মত ইচ্ছা মত বই ডাউনলোড করুন এবং বেশি বেশি করে জ্ঞান অর্জন করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।

কথা হোক ফ্রীতে- ৩

টকোনাউট: আন লিমিটেড কল ও চ্যাট। ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন]

কথা হোক ফ্রীতে-২

বারা ব্লু: আন লিমিটেড কল ও চ্যাট। মোবাইল টু পিসি ভিডিও কল সাপোর্ট। ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন মোকল: আন লিমিটেড কল। ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন গিজমো ফাইভ: আন লিমিটেড কল। ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন টিভি ফোন: আন লিমিটেড কল ও চ্যাট। ৩জি থাকলে আন লিমিটেড ভিডিও কল ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন টেল ফ্রি: আন লিমিটেড কল, চ্যাট, এস এম এস ও ইমেইল। ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন ফ্রিং: আন লিমিটেড কল, (৩জি বা ওয়াইফাই থাকলে) ভিডিও কল, চ্যাটিং, ছবি, ভিডিও, অডিও ফাইল শেয়ারিং। gtalk,msn ইত্যাদি জনপ্রিয় মেসেঞ্জারে কল। ইয়াহু কল এখনো সাপোর্ট করে না। sip call সাপোর্ট। ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন সবার জন্য শুভ কামনা!!!!

কথা হোক ফ্রীতে-১

কথা হোক ফ্রীতে। (mobile to mobile) মোবাইল টু মোবাইল আন লিমিটেড কল করার কয়েকটি সেরা সফটওয়্যার দেয়া হল। এগুলোর মধ্যে আপনি পছন্দ অনুযায়ী যে কোন একটি সফটওয়্যার ডাউন লোড করে আন লিমিডেট কথা বলুন। সফটওয়্যার গুলো ব্যবাহারের নিয়ম: ১) যার সাথে কথা বলবেন তার মোবাইলেও এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করতে হবে। ২) উভয়ের ইউজার পরস্পরে ফ্রেন্ড লিস্টে এড থাকতে হবে। ৩) উভয় পক্ষে নেট থাকতে হবে। তাছাড়া প্রত্যেকটির ওয়েব সাইটে সেগুলো ব্যাবহারের বিস্তারিত নিয়ম-কানুন লিখা আছে। যাদের আত্মীয় স্বজন বিদেশে থাকেন। তাদের জন্য এ পদ্ধতিতে কথা বলা খুবই লাভ জনক। কারণ, বিদেশ থেকে কল করতে অনেক পয়সা ব্যায় করতে হয়। কিন্তু এখানে উভয় পক্ষে সামান্য পয়সা খরচ করে ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনে যত খুশি কথা বলা যায়। কোনটিতে চ্যাটিং এবং কোনটিতে ছবি, ভিডিও,অডিও ইত্যাদি শেয়ার করে পরিবারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা সম্ভব হয়। নিচে ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল: নিমবাজ: আন লিমিটেড কল, চ্যাট, চ্যাট রুম, ছবি, ভিডিও, অডিও ফাইল শেয়ারিং। yahoo সহ gtalk,msn ইত্যাদি জনপ্রিয় মেসেঞ্জারগুলোতে কল। sip call সাপোর্ট। ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন স্কায়পী: আন লিমিটেড কল, চ্যাট, ছবি, ভিডিও, অডিও ফাইল শেয়ারিং। ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন

মোবাইল এর সফটওয়্যার এর চিন্তা নাই আর।

সংগ্রহ করে রাখুন যেকোনো মোবাইলের সফটওয়ারের জন্য ১২টি পাওয়ার ফুল ওয়েবসাইট বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম, সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহর রহমতে খুব ভাল আছেন। যারা মোবাইল দিয়ে আমাদের ব্লগ পড়েন তারা মন খারাপ করে আছেন নাকি ?? সবাই শুধু পিসি সম্পর্কে পোস্ট করে কিন্তু মোবাইল বলে একটা যন্ত্র আছে তা হয়তো ভুলেই গেছে :-( তাই আপনাদের বলছি, মাজে মাজে মোবাইল বাবহারকারীদের জন্য কিছু পোস্ট করবেন জাতে তাদের কিছু কাজে আছে। আপনাদের মন খারাপ করার কিছু নেই, আজ মোবাইল ব্যাবহারকারী দের জন্য পোস্ট করব। মোবাইলের সফটওয়্যার গুলো অনেক ছোট সাইজের এবং এক মোবাইলে কাজ করলেও অন্য মোবাইলে কাজ করে না তাই আম্পার মোবাইলের জন্য কোনটা ম্যাস করে তা দেখে ডাউনলোড করা ভাল। কিন্তু মোবাইলের সফটওয়্যার গুলো ডাউনলোড করার জন্য বিশেষ কিছু ওয়েবসাইট আছে তা হয়তো কম-বেশী আমরা সবাই জানি। এই রকম কিছু ওয়েবসাইটের সাথে আজ আপনাদের পরিচয় করে দিব যা থেকে আপনি আপনার মোবাইলের জন্য নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারবেন। ওয়েব সাইট গুলোর লিঙ্ক নিচে দেওয়া হল : Mobile9 Brothersoft Getjar Cnet Funmaza Cell11 Soft32 Mobisystems Symbian Freeware Mobile Rated Ovi Store OnlineFriendBD.com চোখ রাখুন আমার পোস্ট গুলতে খুব তাড়াতাড়ি মোবাইলের জন্য কিছু ফুল ভার্সন সফটওয়্যার দিব। সবার জন্য দোয়া করি ভাল এবং সুস্থ থাকুন। খোদা হাফেজ

হ্যাকার এবং আমরা-৪

হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন সাথে কিছু হ্যাকিং টিপস (মেগা পোস্ট-৪) আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট শুরু করছি। আছেন কেমন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভাল আছেন। ভাল থাকবেন এটাই কামনা সবার জন্য। ( ৪র্থ পোস্ট ) হ্যাকিং তথ্য নিয়ে গত পোস্ট(৩য়) শেষ করেছিলাম কিন্তু খুব গুরুত্ব পূর্ণ একটা ইনফর্মেশন দিতে ভুলে গেছি যা আপমাদের (যারা হ্যাকিং নিয়ে কাজ করতে চান) জানা দরকার। হ্যাকিং করার পরে কি কি ভুলের জন্য হ্যাকাররা ধরা পরে এবং কিভাবে ওইসব পথ বন্ধ রাখা যায়। আমার মনে হয় আপনারা বুঝে গেছেন ব্যাপারটা কত জরুরি, ঘাটে আসে নৌকা ডুবানোর মত অবস্থা। এইসব ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে। হ্যাকিং করাকে অনেকে সহজ মনে করে।তারা নিজেদেরকে অনেক চালাক ভাবে :-( হ্যাকারদেরকে অতি চালাক ভাবা হলেও তারাও কিন্তু অনেক সময় ফাঁদে পড়ে যায়। বিশেষ করে নবীন হ্যাকারদের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে থাকে। আমরা যখন ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করি তখন প্রত্যেকটি সংযোগের পেছনেই কাজ করে একটি করে নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস। অর্থ্যাৎ যখনই আপনি ইন্টারনেটে সংযুক্ত হচ্ছেন তখন এই আইপি এড্রেসের মাধ্যমে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত আপনি। তাই ওই নেটওয়ার্কের পথ ধরে আপনাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব। হ্যাকারদের প্রধান হাতিয়ারই হলো ইন্টারনেট। তাই তারাও এই বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে নয়। ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে যে আইপি অ্যাড্রেসগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা হয় ইউনিক। অর্থ্যাৎ একই আইপি অ্যাড্রেস একাধিক থাকে না। একে বলা হয় স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস। এটাকে তুলনা করা যেতে পারে একটি আইএসডি টেলিফোন/মোবাইল নাম্বারের সাথে। সাধারণত ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকা যে কোন কম্পিউটার থেকেই এই স্ট্যাটিক আইপিকে খুঁজে পাওয়া যায়। ইন্টারনিক নামক একটি প্রতিষ্ঠান এই আইপি অ্যাড্রেস বন্টন করে থাকে। বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের জন্যই রয়েছে আলাদা আলাদা আইপি অ্যাড্রেসের বান্ডিল। তাই আইপি অ্যাড্রেসের রেঞ্জ দেখলেই বলে দেওয়া সম্ভব এটি কোন দেশের আইপি। যাহোক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কেনার সময় প্রত্যেকটি আইএসপি একাধিক আইপি এড্রেস পেয়ে থাকে। আর আইএসপিগুলো তাদের গ্রাহকদের মধ্যে তা বন্টন করে থাকে। অনেক আইএসপি আবার আইপি স্বল্পতার কারণে গ্রাহকদের প্রাইভেট আইপিও (যেটা ইউনিক নয়) দিয়েও থাকে। প্রাইভেট আইপি ইউনিক নয়, একই আইপি একাধিকজন ব্যবহার করতে পারেন। কিন’ ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাইরে থেকে এই আইপিকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে যে আইপি অ্যাড্রেসই হোক না কেন ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার জন্য যে কোন একটি স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস এর মাধ্যমেই যেতে হয়। যখন একজন হ্যাকার কোন একটি সার্ভারে প্রবেশ করে তখন তারা উক্ত সার্ভারে কোন আইপি থেকে কোন সময় প্রবেশ করলো তার সব তথ্যই সেখানে থাকে। একে বলা ‘এক্সেস লগ’। তবে চালাক হ্যাকারদের ক্ষেত্রে এই টেকনিক খুব বেশি ফলপ্রসু হয় না। কারণ ঐসব হ্যাকাররা তাদের কাজ শেষে সার্ভার থেকে বের হওয়ার সময় উক্ত ‘এক্সেস লগ’ মুছে দেয়। ফলে কোন তথ্যই অবশিষ্ট থাকে না। আবার চালাক সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটররাও তাদের এই এক্সেস লগ এবং সার্ভিস পোর্টগুলোকে এমনভাবে সাজিয়ে নেয় যেখানে চালাক হ্যাকারদের চালাকিও কাজ করে না। কাজেই হ্যাকিং রোধে সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ কর্তাদেরও হতে হয় হ্যাকারদের মতোই অভিজ্ঞ। এখন ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন ?? যদি এর পরও আপনার মনে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমি একটি আইপি এড্রেস এর অবস্থান কীভাবে খুঁজে বের করা যায় টা শিখিয়ে দিচ্ছি। আসুন সহজ পদ্ধতিতে একটি আইপি এড্রেস এর অবস্থান কীভাবে খুঁজে বের করা যায় তা দেখি- পরীক্ষামূলকভাবে যে কোন একটি স্ট্যাটিক আইপি এড্রেস নির্বাচন করুন। এবার এই সাইটটিতে যান ip lookup লিঙ্কে ক্লিক করুন। এবার নির্বাচিত আইপি এড্রেসটি বসিয়ে lookup ip address এ ক্লিক করুন। অল্প সময়ের মধ্যেই হাতে পেয়ে যাবেন উক্ত আইপি এড্রেসের অবস্থান এমনকি এর ব্যবহারকারির ঠিকানাও। হয়তো কেউ নিজেকে চালাক মনে করে ভাবতে পারে মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করলে হয়তো তা সনাক্ত করা সম্ভব হবে না। এটাও একটি ভ্রান্ত ধারণা। অনেক সময় ভাবতে পারেন কোন ভুয়া ঠিকানায় সীম কার্ড রেজিস্ট্রেশন করে সেই সীমের মাধ্যমে হ্যাকিং করবেন। এখানেও ধরা পড়ে যাবে সব চালাকি! মোবাইলের নাম্বার ট্রেসআউট করে খুঁজে বের করা হবে অপরাধীকে। ভাবছেন ঐ সীমটিই ফেলে দিবেন? আশা করি অন্তত মোবাইল সেটটি তো আর ফেলবেন না! এরপর যে প্রতিষ্ঠানের সিম কার্ডই ব্যবহার করা হোক না কেন ঐ সেটটি চালু করলেই অপরাধী ধরা পড়ে যেতে পারে। কারণ প্রত্যেকটি মোবাইল সেটেই থাকে একটি বিশেষ প্রোডাক্ট নাম্বার যাকে বলা হয় IMEI নাম্বার। সাধারণত একটি সেটের IMEI নাম্বারের সাথে আরেকটির নাম্বার মিলে না। তদন-কারীরা অপরাধী সনাক্ত করার জন্য এই আইএমই নাম্বারটি দিয়ে দিতে পারে সবগুলো টেলিফোন প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানে। আর যখনই উক্ত আইএমই যুক্ত সেটটি চালু তৎক্ষণাত তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব হবে কাহার দ্বারা হ্যাকিং করা হইয়াছিল।অতএব হ্যাকিং করার সময় বুঝিয়া শুনিয়া হ্যাকিং করিয়েন।

হ্যাকার এবং আমরা

হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন সাথে কিছু হ্যাকিং টিপস (মেগা পোস্ট-3) আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট শুরু করছি। আছেন কেমন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভাল আছেন। ভাল থাকবেন এটাই কামনা সবার জন্য। ( ৩য় পোস্ট ) হ্যাকিং করার আগে ভাল ভাবে জেনে নেওয়া উচিৎ কিভাবে বিখ্যাত হ্যাকাররা হাছিং করেছেন এবং তার ফলে তাদের সাজা কি হয়েছিল। হ্যাকিং বর্তমানে সারা পৃথিবী জুড়েই একটা পরিচিত শব্দ। বেশির ভাগ সময়ই দেখা যায় যে, হ্যাকাররা সুরক্ষিত সব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আর কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাক করে কোন আর্থিক লাভের জন্য নয়, স্রেফ “দেখিয়ে দিলাম, আমরাও পারি” এই ধরনের উপলব্ধি থেকে।এরা সাধারণত খুব অহংকারী, দুর্বিনীত, এবং মেধাবী হয়। তো…. আসুন সে রকম কয়েকজন হ্যাকারের সাথে আজ আমরা পরিচিত হই……. ১. জন ড্রেপার Jhon Draper হ্যাকার নামটা সর্বপ্রথম প্রদান করা হয়েছিল এরকম হাতেগোনা মানুষের মধ্যে জন ড্রেপার অন্যতম। তাকে বলা হয় হ্যাকিংএর আদি পিতা। ১৯৭০ দশকে আমেরিকাতে ক্যাপ’ন ফ্রেঞ্চ নামে একটা খাবার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। একবার ক্যাপ’ন ফ্রেঞ্চের নির্মাতারা তাদের পন্যের প্রচার কৌশল হিসেবে এর প্যাকেটের ভিতরে একটি খেলনা হুইসেল দেয়া শুরু করে। আর ড্রেপার এই হুইসেল দিয়েই তার কার্য সিদ্ধি করে। ড্রেপার খেয়াল করেছিল যে, একটি সক্রিয় টেলিফোন কল শেষ হলে টেলিফোন এক্সেঞ্জ থেকে যে স্বয়ংক্রিয় শব্দটি প্রদান করা হয় তার সাথে এই হুইসেলের হুবহু মিল আছে। সে কল করার পর নির্দিষ্ট একটি সময়ে ওই হুইসাল দিয়ে শব্দ করতো যা থেকে এক্সেঞ্জ মনে করতো কলটি বোধয় শেষ হয়েছে। কিন্তু যেহেতু কলটি ছিল ড্রেপারের বানানো তাই বাস্তবে কলটি শেষ হত না। তাই হুইসেল বাঁজাবার পরে ড্রেপার ইচ্ছে মত কথা বলতে পারতো এবং এর জন্য তাকে বাড়তি কোন বিল দিতে হত না। কিন্তু বিধি বাম….. বছর দুই এভাবে চলার পর অবশেষে ধরা পড়ে ড্রেপার আর, সাজা হিসেবে তাকে দুই মাস জেলে কাটাতে হয়। ২.কেভিন মিটনিক kevin mitnick দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes হ্যাকিং এর জগতে অন্যতম বিখ্যাত হ্যাকার হচ্ছে কেভিন মিটনিক। ১৯৮১ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে হ্যাকিং এর ভূবনে পদার্পন করে মিটনিক। প্রথমে টুকটাক হ্যাকিং করলেও সিরিয়াসলি হ্যাকিং শুরু করে ১৯৮৩ সালের দিকে। সে সময়ে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যালোলিনার ছাত্র ছিল সে। একদিন ইন্টারনেটে পূর্বসুরি আরপানেটে অ্যাকসেস পেয়ে যায় মিটনিক আর আরপানেট যেহেতু মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের একটি নেটওয়ার্ক ছিল সেহেতু মন্ত্রনালয়ের সকল স্পর্শকাতর সকল ফাইল দেখার সুযোগ পেয়ে যায় কেভিন মিটনিক। তবে সে কখনো এই ফাইল গুলোর অপব্যাবহার করে নি। পেন্টাগনের গোপন ফাইলে ঘুরে বেড়ানো ছিল তার শখের মতোই। কিন্তু এভাবে আর বেশিদিন চলে নি, আরপানেট-এর সিস্টেম এ্যাডমিন-রা টের পেয়ে যায় মিটনিকের অস্তিত্ব। অবৈধ ভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করার অপরাধে গ্রেফতার করা হয় তাকে এবং পাঠানো হয় সংশোধন কেন্দ্রে। কিন্তু মিটনিক পুরোপুরি সংশোধিত হয় নি। হ্যাকিং তার কাছে ছিল নেশার মত, আর এ কারণেই পরবর্তিতে তাকে বেশ কয়েকবার লাল দালানের ভাত খেতে হয়েছে। ৩.রবার্ট মরিস morris2004 দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes হয়তো দুনিয়া জোড়া বিখ্যাত হবার চিন্তা করেই হ্যাকিং শুরু করেছিল মরিস। ১৯৮৮ সালে কর্নেল ইউনিভার্সিটির ছাত্র থাকা অবস্থায় ৯৯ লাইনের একটা কোড লিখে ছেড়ে দিয়েছিল বিভিন্ন নেটওয়ার্কে। যা খুব দ্রুত শত শত কম্পিউটারকে আক্রমন করে। পরবর্তিতে এই কোড মরিস ওয়ার্ম নামে পরিচিতি লাভ করে। ধরা পরার পর মরিস আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলে, সে কোন খারাপ কাজ করে নি। কোড ছাড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইন্টারনেটের সাথে কতগুলো কম্পিউটার সংযুক্ত আছে তা বের করা। শত শত কম্পিউটারকে আক্রমন করার অপরাধে ১৯৮৯ সালে গ্রেফতার হয় মরিস। পরে অবশ্য ১০ হাজার ডলার জরিমানা দিয়ে মুক্ত হয় সে। ৫.কেভিন পোলসেন kevin poulsen দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes ১৯৮৯ সালে কেভিন পোলসেন মানের ২৪ বছর বয়সী এক যুবককে ফ্রেফতার করে এফবিআই। কম্পিউটার ও টেলিফোন সার্ভারে গোপনে প্রবেশের দায়ে গ্রেফতার করা হয় তাকে। কিন্তু গ্রেফতার করে বেশীদিন আটকে রাখা যায়নি তাকে। বিচার শুরুর আগেই কৌশলে জেল থেকে পালিয়ে যায় সে। এর মধ্যে সে একটি ঘটনা ঘটায় লস এঞ্জেলেসে। সেখানকার একটি রেডিও স্টেশন একবার ঘোষণা দেয়, একটি নির্দিষ্ট দিনে তাদের কাছে যত কল আসবে তার মধে ১০৩ নম্বর কলারকে দেয়া হবে একটি দামী পোর্শে গাড়ি। পোলসনও তার কাজের ধারা অনুযায়ী রেডিও স্টেশনের টেলিফোন সুইস বোর্ড লাইন হ্যাক করে বনে যান ১০৩ নম্বর কলার। তারপর দাবি করে পোর্শে গাড়িটি। কিন্তু এত কিছু করেও শেষ রক্ষা হয় নি। দ্রুতই সব ফাঁস হয়ে যায়। অবশেষে পালিয়ে যাবার ১৭ মাসের মাথায় পুনরায় গ্রেফতার হয় পোলসন। ৬.ভ্লাদিমির লেভিন Vladimir Levin কুখ্যাত হ্যাকার ভ্লাদিমির লেভিনের মূল টার্গেট ছিল বিখ্যাত সিটি ব্যাংক। কয়েকটি কর্পোরেট ইউজারের পাসওয়ার্ড হ্যাক করে তাদের একাউন্ট থেকে সে সরিয়ে ফেলে ১০.৭ মিলিয়ন ডলার। এসব টাকা সরিয়ে ফেলে সেগুলো পাঠিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, ইসরায়েল ও জার্মানির কয়েকটি ব্যাংক একাউন্টে। এ কাজ অবশ্য লেভিন একা করে নি, তার সহযোগী ছিলো আরো চার-পাঁচজন। তার সঙ্গী সাথীদের কয়েকজন বিভিন্ন দেশের ওই গোপন একাউন্টগুলো থেকে টাকা তুলতে গিয়ে ধরা পড়ে। লেভিন নিজেও ধরা পড়ে ১৯৯৫ সালে। বিচারে তার ৩ বছরের জেল ও ২.৫ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়। আর খোয়া যাওয়া ডলারে ৪ লাখ বাদে বাকি সব অর্থই উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ৭.ডেভিড স্মিথ david smith দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া সর্বপ্রথম ভাইরাসটির শ্রষ্টা হতে চেয়েছিল স্মিথ। ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যে বসে চুরি করা একটি এওএল (আমেরিকা অনলাইন) একাউন্ট থেকে একটি ওয়ার্ম ছেড়ে দেয় ইন্টারনেটে। ওয়ার্মটির নাম ছিল মেসিলা। যা পরবর্তিতে ইন্টারনেটে ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে এবং প্রায় ৩০০টি বড় বড় কর্পোরেট প্রতষ্ঠানের নেটওয়ার্কে হামলা চালায়। এর মধ্যে মাইক্রোসফট, ইন্টেল, লুসেন্ট টেকনোলজির মত কোম্পানিও ছিল। গোটা আক্রমনট প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমান ক্ষতি সাধন করে। তবে কাজটি করে বেশিদিন শান্তিতে থাকতে পারেনি স্মিথ। বিচারে তার লম্বা মেয়াদের কারাবাস হলেও পরে তা কমিয়ে নিয়ে আসা হয় মাত্র ২০ মাসে। বন্ধুরা কেমন লাগল এত গুলো বিখ্যাত হ্যাকারদেরে সাথে পরিচিত হয়ে।এই রকম এখন আরও হাজার হাজার হ্যাকার আছেন যাদের নাম বলে শেষ করা যাবে না। তাই আমি আর কোন নতুন হ্যাকারদের খুঁজে দিব না, যদি আরও জানতে চান তাহলে আমার মত বই পড়েন। এর পরের পোস্ট গুলো হ্যাকিং করা শিখাব। আশা করি আপনারা আমার সাথে থাকবেন। আজকের মত এখানেই খোদা হাফেজ

হ্যাকার আর আম্রা-২

হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন সাথে কিছু হ্যাকিং টিপস (মেগা পোস্ট-২) আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট শুরু করছি। আছেন কেমন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভাল আছেন। ভাল থাকবেন এটাই কামনা সবার জন্য। ২য় পোস্ট হ্যাকাররা কেমন হয়ঃ আমরা সাধারনত ভাবি সব হ্যাকারই এক ধরনের কাজ করে । অনলাইনে টাকা চুরি করা বা বিভিন্ন মানুষের আইডি চুরি করা বা ওয়েবসাইটের তথ্য চুরি করা ইত্যাদি ইত্যাদি ।কিন্ত ধারণাটা সর্ম্পূর্ন ভুল হ্যাকারদেরকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় হোয়াইট হ্যাট, ব্ল্যাক হ্যাট ও গ্রে হ্যাট। হোয়াইট হ্যাট কারা ঃহোয়াইট হ্যাটওয়ালারা হল ভদ্র মানুষ এরা কারো কোন ক্ষতি করেনা । সাধারণত বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকুরীরত সিকিউরিটি প্রফেশনালরা এই দলভুক্ত। এদের হ্যাকিং ও হ্যাকারদের টুল সম্বন্ধে প্রচুর জ্ঞান এবং তা কাজে লাগিয়ে তারা সিস্টেমের দুর্বলতা বের করে প্রতিরোধ ব্যবস্হা গড়ে তোলে। যেমনঃ মনে করুন মাইক্রোসফট,গুগল সহ বড় বড় প্রতিষ্টানে এরা চাকুরি করে এবং তাদের সিস্টেমের বিভিন্ন দুর্বলতা খুজে বের করে এবং তা বন্ধ করার ব্যবস্হা করে ব্ল্যাক হ্যাটঃ ব্ল্যাক হ্যাটদের কথা সবদিকেই শুনা যায় । এদের প্রোগ্রামিং স্কিল খুব ভালো কিন্তু তারা সেটা ব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে। এরা সাধারণত ডেটাবেজ সিস্টেম, রিমোট মেশিনের নিরাপত্তা ভেঙে দেয়া, ক্রেডিট কার্ডের নম্বর চুরি করা, অবৈধ অনলাইন ট্রানজেকশান , আইডি চুরি করা, তথ্য চুরি করা ,বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাক করা ইত্যাদি অপকর্ম করে থাকে এবং মাঝে মাঝে এরাই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এবং এদের নাম ধামই আমরা বেশি শুনি ।তবে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের অনেকেই বলে ক্র্যাকার হোয়াইট ও ব্ল্যাক এই দুই দলের মাঝখানে রয়েছে গ্রে হ্যাটরা। এরা হচ্ছে সুবিধাবাদী হ্যাকার। অবস্হা বুঝে এরা ব্যবস্হা নেয় কথনো এরা হোয়াইট কখনো আবার ব্ল্যাক । অনেক সময় এরা বিভিন্ন প্রতিষ্টানের দুবলর্তা ধরিয়ে দেবার বিনিময়ে টাকা নেয় বা সুযোগমত এরা এর ব্যবহার করে। হ্যাকিং কিভাবে হয়ঃ অনেক সময় পেপার পত্তিকায় দেখা যায় হ্যাকাররা কম্পিউটারে বসে কোনো ব্যাংকের বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিজেদের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়ে নিয়েছে বা পাসওয়ার্ড চুরি করে সিস্টেমটি নিজেদের ইচ্ছামতো চালাচ্ছে বা ওয়েবসাইট হ্যাক করে নিজস্ব মেসেজ বসিয়ে দিচ্ছে এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল ও টুল ব্যবহার করে তারা পাসওয়ার্ড চুরি করে। পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিংয়ের দ্রুততম কৌশল হচ্ছে ডিকশনারি অ্যাটাক। এই কৌশলে ডিকশনারির সব শব্দ একটি টেক্সট ফাইলে লোড করা হয় । তারপর এই ফাইলটি পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন যেমন L0phtCrack-এ লোড করে ইউজার অ্যাকাউন্টের বিপরীতে চালনা করা হয় । আরেক ধরনের কৌশল হচ্ছে হাইব্রিড অ্যাটাক। ডিকশনারি শব্দের সাথে নম্বর বা সিম্বল যোগ করে এ্যাটাক করে । এই দুই কৌশলে যখন কাজ হয় না, তখন হ্যাকাররা ব্যবহার করে ব্রুটফোর্স পদ্ধতি। পাসওয়ার্ড খুব বেশি জটিল হলে এই ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় । আরো দুটি জনপ্রিয় কৌশল হল উইনগেট ও শেল অ্যাকাউন্টের ব্যবহার । উইনগেট একধরনের প্রক্সি যার মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। এই কৌশলে হ্যাকারের আইপি ঠিকানা চিহ্নিত করা যায় না। শেল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দূরবর্তী কম্পিউটার এক্সেস করা যায় এবং যেকোনো কমান্ড দেয়া যায়। এ ছাড়া ব্যাকডোর, ট্রোজান, রুটকিট, এক্সপ্লয়েন্ট, বাফার ওভারফ্লো, এসকিউএল ইনজেকশান ইত্যাদি কৌশলেও হ্যাকাররা হ্যাকিং করে। হ্যাকিং শুরু হওয়ার কিছু ইতিহাসঃ ১৯৬০ সালে এআইটি ল্যাবের কিছু ছাএ একটি প্রোগ্রামের কিছু শটকার্ট বের করেন তারপর থেকে তখন তাদের কে হ্যাকার বলা হত । এরপর ১৯৭০ সালে জন ড্রেপার টেলিফোন সিস্টেম হ্যাক করে বিনামূল্যে প্রচুর টেলিফোন করেন আর তখন থেকেই মুলত হ্যাকিং ব্যাপারটা জোরে শোরো শুরু হয় এই হ্যাকিংয়ের জন্য তাকে Captain Crunch নামে উপাধি দেয়া হয়েছিলো । Captain Crunch নামে খ্যাত জন ড্রেপার বেচারা হ্যাকিংয়ের দায়ে ওই বছরই গ্রেপ্তার হন । তবে হ্যাকিংয়ে উৎসাহ দেয়ার জন্য ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত Wargames মুভিটিকে অনেকেই দায়ী করেন । ১৯৮৩ সালে ৪১৪ নামে ছয়জন টিনএজ আমেরিকার বিভিন্ন প্রতিষ্টানের সিস্টেম অকেজো করে দেয় তবে তারা খুব তাড়াতাড়িই পুলিশের হাতে ধরা খান এবং wargames মুভিটি দেখে তার উৎসাহ পান বলে স্বীকার করেন । ১৯৮৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রকাশ হয় হ্যাকারদের ম্যাগাজিন ২৬০০। ১৯৮৬ সালে University of California এর অধিকাংশ হিসেবে ভুল আসার পর তদন্ত করে দেখা যায় এটা হ্যাকার দের কাজ পরবর্তীতে University of California তে হ্যাকিং এর দায়ে ৫ জন জামার্নকে গ্রেপ্তার করা হয় । ১৯৮৬ সালে আমেরিকায় হ্যাকিংয়ের বিরুদ্ধে আইন করা হয়। ১৯৮৭ সালে হার্বাট জিন নামের ১৭ বছর বয়সী হাইস্কুল ছাত্রকে ১৯৮৬ সালের হ্যাকিং আইনে গ্রেফতার করা হয় এটিঅ্যান্ডটি ল্যাবের তথ্য চুরির অভিযোগে।১৯৮৮ সালে Cornell University এর রবার্ট মরিস একটি ইন্টারনেট ওয়ার্ম এর সাহায্যে ৬০০০ নেটওয়ার্ককে থামিয়ে দেয় তবে তিনি খুব দ্রুত গ্রেপ্তার হন এবং তাকে ৩ বছরের জেল সাথে ১০০০০ ডলার জরিমানা করা হয় । ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলেস একটি রেডিও স্টেশন একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে যেখানে বলা হয় ১০২তম ফোনকারীকে তারা গাড়ি পুরস্কার দেবে। ফেভিন পলসেন রেডিও স্টেশনের টেলিফোন সিস্টেমে হ্যাক করে এমন ব্যবস্খা করেন যাতে তার ফোন ছাড়া অন্য কারো ফোন যেন রিসিভ না হয়। ফলাফল তিনি ঠিকই গাড়ি জিতে নেন। কিন্তু পরে গ্রেপ্তার হয়ে খাটতে হয় ৫১ মাসের জেল। এছাড়া Kevin Poulsen, Ronald Austin and Justin Peterson এই তিনজন মিলেও ফোন লাইন সিস্টেম হ্যাক করে ২০০০০ ডলার জিতে নেয় তবে বেচারারাও পরে ধরা খায়। ১৯৯৪ সালে Richard Pryce ১৬ বছর বয়সী , যাকে alias Datastream Cowboy নামে জানা হয় সে প্রায় ১০০ কম্পিউটারের সিকিউরিটি সিস্টেম ভেংগে ফেলে যার মধ্যে নাসা,কোরিয়ান পারমিণবিক সংস্হা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সংস্হার নেটওয়ার্ক ছিল। এছাড়া হ্যাকিং জগতে অন্যতম বড় ব্যাংক ডাকাতি করেন রাশিয়ান গণিতবিদ ভাদিমির লেভিন। তিনি নিউইয়র্কের সিটি ব্যাংক থেকে কাস্টামারদের ১০ মিলিয়ন ডলার নিজের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি ইংল্যান্ডের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হন এবং তিন বছর জেল খাটেন।সব টাকাই ফেরত পাওয়া যায় তবে ৪০ লাখ ডলার পাওয়া যায়নি। পৃথিবীর সব বড় বড় হ্যাকার কারাঃ ব্লাক হ্যাকারদের মাঝে কেভিন মিটনিককে বলা হয় হ্যাকারদের গুরু ।তার হ্যাকিং বিদ্যার জন্য তাকে গ্লেন কেজ উপাধি দেওয়া হয়।এই বিখ্যাত হ্যাকিং গুরুর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছিলো তা হল · Los Angeles এর বাস সিস্টেম হ্যাকিং করে ফ্রী ভ্রমণ · DEC সিস্টেম হ্যাকিং যার কারনে তাদের ১৬০০০০ ডলার ক্ষতি হয়েছিলো · Motorola, NEC, Nokia, Sun Microsystems and Fujitsu Siemens সিস্টেম হ্যাকিং · এফবিআই এর সিস্টেমে হ্যাকিং এর চেষ্টা IBM এর মাইক্রোকম্পিউটার প্রজেক্টে এ্যাটাক এছাড়াও শত শত নেটওয়ার্ক হ্যাকিংয়ের চেষ্টা ,ফ্রী কল করার হ্যাকিং ,বিভিন্ন মেইল সিস্টেম হ্যাকিং চেষ্টার শত শত অভিযোগ ছিল তবে তা প্রমাণ করা যায় নি। তাকে জেলে পাঠানো হয় ২০০০ সালে কেভিন মুক্তি পান, তবে শর্ত ২০০৩ সালের আগে তিনি কোনো কম্পিউটার, সেল ফোন এবং ইন্টারনেটযুক্ত ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। মিটনিকের ব্যতিক্রমী এবং শক্তিশালী হ্যাকিং কৌশলের জন্য হ্যাকার জেনারেশনের আদর্শ হয়ে আছেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সিকিউরিটি কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। কেভিন মিটনিকেরওয়েবসাইট । হ্যাকিং দুনিয়ার আরেকজন গুরু হল গ্যারি ম্যাককিনন। ধরা হয়, একটি মিলিটারি সিস্টেমে হ্যাক করে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় হ্যাকিংটি তিনিই করেছেন। ২০০০ ও ২০০১ সালে তিনি নাসা ও পেন্টাগনের ইনফরমেশন সিস্টেমে অ্যাটাক করেন। বর্তমানে তার ইন্টারনেটযুক্ত কোনো কম্পিউটার ব্যবহার নিষেধ। এছাড়াও আরও অনেক বড় বড় হাকারা আছেন, তাদের খ্যাতিও কম না। এমন হ্যাকারের সাথে পরিচয় হয়ে আসি। gary mckinnon Jonathan James Kevin Poulsen Adrian Lamo এদেরও হ্যাকিং দুনিয়ার বস বলা হয় ।হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের মধ্যে অন্যতম গুরু বলা হয় সুতুমু শিমুমোরা। ১৯৯৪ সালে সানডিয়েগো সুপার কম্পিউটার সেন্টারে রিসার্চ সায়েন্টিস্ট হিসেবে কাজ করার সময় একজন হ্যাকার তার কম্পিউটার থেকে গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইল চুরি করেন। সেই হ্যাকারটি ছিল কেভিন মিটনিক। এরপর ১৯৯৫ সালে ট্রেস ডায়ালিং কৌশল এবং টেলিফোন লুপ সিগন্যাল ব্যবহার করে মিটনিকের অবস্হান চিহ্নিত করে এফবিআই’র হাতে ধরিয়ে শিমুমোরা প্রতিশোধ নেন। বাংলাদেশ একজন হ্যাকার শাহী মির্জার নাম আমরা অধিকাংশরাই জানি । র‌্যাবের ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে শাহী মির্জা আমাদের সামনে আসেন। তাহলে চলুন দেখি শাহী মির্জার হ্যাকিং কি ধরনের । শাহি মির্জাকে সহজ অর্থে হ্যাকার বলা যায় না । তবে তাকে Script kiddie হ্যাকার বলা যায় । Script kiddie রা অন্যের তৈরি করা হ্যাকিং টুল বা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে হ্যাক করে থাকে যেমন কী লগার ব্যবহার করে হ্যাকিং । এধরনের হ্যাকিং প্রকৃত হ্যাকিং হতে অনেক সহজ । শাহী মির্জাও অন্যের তৈরী টুল ব্যবহার করে মুলত হ্যাকিং করেছিলো । এজন্য শাহী মির্জাকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিলো ততটা দেওয়ার দরকার ছিলোনা ।তবে শাহী মির্জা নিজের বোকামির জন্যই ধরা পড়েছিলো । কারণ হ্যাকারদের সিস্টেম সম্বন্ধে অগাধ জ্ঞান থাকতে হয় না হয় জেলের ভাত নিশ্চিত । এছাড়া মাঝে মাঝে বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইটগুলো হ্যাকিংয়ের খবর আসে । কিছুদিন আগে সেনাবাহিনী , নৌবাহিনীর ওয়েবসাইট হ্যাকিং হয়েছিলো । আবার ইরানের কিছু হ্যাকার মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাকিং করেছিলো আবার আজকে দেখলাম সরকারের কিছু ওয়েবসাইট ইন্ডিয়ান হ্যাকার দ্বারা হ্যাকিং এর শিকার হয়েছ নমুনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন । তবে একথা দিনের আলোর মত সত্য যে সরকারী ওয়েবসাইগুলোর নিরাপত্তা একেবারেই নিচু পর্যায়ে । জেলা পোটার্লগুলো মুলত ফ্রী জুমলা দিয়ে তৈরী করা হয়েছে । তবে সিকিউরিটি প্যাচ গুলো আপডেট করা হয়নি এজন্যই মুলত বাচ্চা হ্যাকাররা ছোটকালে শেখানো হ্যাকিং পদ্ধতি দিয়ে হ্যাকিঙ করেছে । সেদিক হতে বাংলাদেশে কোন ভালো হ্যাকার বা হ্যাকিং গ্রুপ গড়ে উঠে নাই। বাংলাদেশের ছেলেরা এখনও ফেইসবুক নিয়ে ব্যস্ত বলে তারা হ্যাকিংয়ের দিকে মনোযোগ দিতে পারে নাই । হ্যাকিং থেকে বাঁচার ছোট উপায়ঃ হ্যাকারদের আক্রমণ হতে বাচতে পিসিতে ভালো এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন । ফায়ারওয়াল ব্যবহার করুন ।যেকোন একাউন্টের পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় অক্ষর,সংখ্যা,প্রতিকের মিশ্রণে পাসওয়ার্ড দিন। যতটা সম্ভব কঠিন পাসওয়ার্ড দিন। সন্দেহ হলে মেইল এর এটাচমেন্ট খুলা হতে বিরত থাকুন । আমার এই পোস্টের লেখাটির মুল আইডিয়াটি মাসিক একটি ম্যাগাজিন হতে পেয়েছি তারপর নিজের মত পরিবর্তন,পরিবর্ধন ফরম্যাটিং করে প্রকাশ করেছি। আজকের মত এখানেই খোদা হাফেজ

হ্যাকার এর প্রয়োজন...।

হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন সাথে কিছু হ্যাকিং টিপস (মেগা পোস্ট-১) আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট শুরু করছি। আছেন কেমন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভাল আছেন। ভাল থাকবেন এটাই কামনা সবার জন্য। আমি হ্যাকিং নিয়ে মেগা পোস্ট করতে চাচ্ছি। জানিনা শেষ করতে পারব কিনা। তবে দোয়া করবেন আমি যেন আমার কাজে অটুট থাকতে পারি। হাকিং নিয়ে কাজ করছি অনেক দিন থেকে তবে তার সবটুকু নিজে জানার জন্য।কারো ক্ষতি বা বিবস্ত করার জন্য হয়। তাই সবাই কে অনুরোধ করব যারা আমার পোস্ট এবং টিপস পড়বেন তারা কখন নিজের প্রতিভাকে অন্নের ক্ষতির কাজে ব্যাবহার করবেন না।এতে নিজে আরও বেশী সমস্যায় পরবেন। আমি ভয় দেখাইনি শুধু বাস্তবকে তুলে ধরেছি। (সর্ব শক্তিমান একজন আর অন্য কেও হতে পারেনা। তিনি পারেনা এমন কোন কাজ নেই, সাময়িক সুখকে ভুলে যান) হ্যাকিং নিয়ে কিছু কথাঃ হ্যাকিং শব্দটি শুনতে খারাপ লাগলেও এর কাজ কিন্তু খারাপ না। হ্যাকার কারা, যারা কম্পিউটার দুনিয়ার শুরুতে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং কম্পিউটার নিরাপত্তা বিষয়ে অতি দক্ষদের বলা হতো হ্যাকার তারা বিভিন্ন প্রোগাম,ওয়েবসাইটের বা কম্পিউটারের ফাক ফোকর বের করত এবং এগুলো বন্ধের জন্য ব্যবস্হা গ্রহণ করত । কিন্তু এর কিছুদিন পর পাল্টে যায় অবস্হা , কম্পিউটিংয়ে দক্ষ কিছু লোক তাদের জ্ঞানকে ভালো কাজে না লাগিয়ে বরং বিভিন্ন নিরাপত্তা সিস্টেমের দুবলর্তাকে কাজে লাগিয়ে ক্ষতিকার কাজে ব্যবহার করা শুরু করে আর তারপর থেকেই হ্যাকার এর সংজ্ঞা পুরোটাই বদলে গেছে এখন অধিকাংশ মানুষই হ্যাকিং বলতে অতি জ্ঞানীদের ডিজিটাল চুরি আর হ্যাকার বলতে অতি জ্ঞানী ডিজিটাল চোর ভাবে । তবে এই ধারনাতে ভুল আছে ।এই নিয়ে পরে আরও আলোচনা করব। হ্যাকার সম্পর্কে সাধারন ধারনাঃযারা আপনার কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড চুরি করে কিংবা আপনার একাউন্টের তথ্য চুরি করে। এটা একধরনের হ্যাকারদের কাজ। এছাড়াও আরো নানাধরনের হ্যাকার রয়েছে। ১.অনেক কোম্পানী বেতন দিয়ে হ্যাকার রাখে। তাদের কাজ কোম্পানীর নিরাপত্তা দেখা। মুলত এন্টি-হ্যাকার হিসেবে কাজ করে কিন্তু কাজের পদ্ধতি হ্যাকারের মতই। কিছু হ্যাকার কাজ করে শুধুমাত্র আনন্দ পাওয়ার জন্যই। কোন ওয়েবসাইট বা কারো একাউন্টে ঢুকতে পেরে নিজের কৃতিত্ব নিয়ে গর্ববোধ করে। ২.কিছু হ্যাকারের কাজ প্রতিবাদ করা। কোন কোম্পনীর বা রাজনৈতিক প্রতিবাদের অস্ত্র হিসেবে হ্যাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করে। এদের জন্য প্রথম শব্দ তৈরী হয়েছে হ্যাকটিভিষ্ট। ৩. কিছু হ্যাকারকে টাকা দিয়ে নিয়োগ করা হয় ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক কখনো কখনো রাষ্ট্রিয় তথ্য চুরির জন্য। এরা সবাই হ্যাকার। এককথায়, যে কোন কারনেই হোক, যারা অন্যের কম্পিউটারের তথ্য সংগ্রহ করে তারা হ্যাকার। এদেরকে দুভাগে ভাগ করা হয়। এথিকাল হ্যাকার বা নীতিবান হ্যাকার। যারা ভাল উদ্যেশ্য নিয়ে কাজ করে। হ্যাকিং তাদের চাকরী বা কখনো কখনো শখ। আর-এথিকাল বা অবৈধ হ্যাকারের কাজ হচ্ছে চুরি করা। কখনো নিজেই কখনো অন্যের পরামর্শে এবং সহযোগিতায়। হ্যাকারের পরিচিতি তুলে ধরার জন্য কয়েকটা বৈশিষ্টঃ . কোন ব্যক্তি যে কোন কম্পিউটার বা এধরনের সিষ্টেমের সাধারন কাজ করার পদ্ধতি পরিবর্তন করে আনন্দ পায়। . সাধারন প্রোগ্রামিং এর বাইরে ভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং নিয়ে আগ্রহি। . যে ব্যক্তি হ্যাকিংকে লাভজনক (যে কোন অর্থে) মনে করে। . যে ব্যক্তি দ্রুত ভাল প্রোগ্রাম তৈরী করতে পারে। . কোন বিষয়ে দক্ষ প্রোগ্রামার। যেমন ইউনিক্সে দক্ষ প্রোগ্রামার অন্য সর্ত পুরন করলে সহজে হ্যাকার হতে পারেন। . ক্রিয়েটিভিটি বিষয়ে যে সীমাবদ্ধতা পছন্দ করে না। . যে অন্যের ক্ষতিকর সফটঅয়্যার ব্যবহার করে পাশওয়ার্ড, একাউন্ট ইত্যাদি থেকে গুরুত্বপুর্ন তথ্য সংগ্রহ করে। অনেক সময় এদেরকে ক্রাকার বলা হয়। এথিকাল হ্যাকিং বিষয়টি যেমন গ্রহনযোগ্য তেমনি এরসাথে এথিক বা নীতি নির্দিস্ট। বর্তমানে হ্যাকিং শব্দটিকে মুলত কম্পিউটারের জন্য ব্যবহার করা হলেও ১৯৫০ এবং ৬০ এর দশকে হ্যাকিং বলতে বিশেষ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে রেডিও কিংবা ইলেকট্রনিক সামগ্রীতে সমস্যা সৃষ্টি করা বুঝাত। যারা এই নীতি মেনে চলেন তারা এথিকাল হ্যাকার, যারা মানেন না তারা আনএথিকাল হ্যাকার। যারা হ্যাকার হতে আগ্রহি তারা এই বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। হ্যাকিং শেখানোর বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে বিশ্ব জুড়ে। বৈধ তো বটেই, অবৈধ হ্যাকারদেরও স্কুল রয়েছে। এজন্য শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার পদ্ধতি, কৌশল ইত্যাদি শেখানো হয়। হ্যাকিং নিয়ে বলার এবং জানার শেষ নেই, তবে আমি সব কিছু নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার থেকে আপ্নাদেরে জানানোর চেষ্টা করব। হ্যাকিং অত্যান্ত জটিল কাজ। কারণ কারও বশঃ করা এত সহজ নয়। আর আপনার হ্যাকিং শিখার ইচ্ছা থাকলেই হবে না, তার সাথে নিয়মিত করতে হবে চর্চাও। আর এর জন্য চাই অনেক অনেক পড়াশুনা। কারণ পড়াশুনা ছাড়া আপনি হতে পারবেন না একজন ভাল হ্যাকার। হ্যাকিং নিয়ে তেমন বাংলা কোন বই নেই কিছু হিন্দি এবং অধিকাংশ ইংলিশ বই। যেহেতু বিশের সব প্রোগ্রামই ইংলিশে লিখা হয়ে থাকে তাই হ্যাকিং নিয়ে যারা কাজ করেন তারা ওইসব ইংলিশ বই পড়েন। আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে "আপনি কিভাবে এত কিছু জানলেন ??" মনের মধ্যে প্রশ্ন রাখলে কাজে মন বসেনা তাই, এখুনি আপ্নাদেরে জানিয়ে দিচ্ছি সেই অজানা কথা। হ্যাকিং এবং কম্পিউটারার বিষয়ে আমি প্রতিদিন একটা না একটা বই পড়ি যা অনেকটা বিরক্তিকর এরপরও আমি সারাদিন কাজ শেষে সময় করে পড়ছি এবং জানার পিছনে ছুটে বেরাচ্ছি। আমি যে সব বই পড়ি টা আপনাদের সাথে সেয়ার করলাম ভাল লাগলে সংগ্রহ করে পড়তে পারেন Hacking The Windows Registry Hugo Cornwall - The Hacker's Handbook Hacking into computer systems - a beginners guide Hacking_IIS_Servers Addison-Wesley Professional.Honeypots- Tracking Hackers Wiley.The Database Hacker's Handbook- Defending Database Servers John Wiley &_ Sons.Hacking GMail (ExtremeTech) Hacking.Guide.V3.1 A-List Publishing.Hacker Linux Uncovered Hacker'S.Delight Hacker.Bibel HackerHighSchool Hacker's Desk Reference A Beginners Guide To Hacking Computer Systems Addison Wesley - Hackers Delight 2002 addison wesley - web hacking - attacks and defense Addison Wesley, The Outlook Answer Book Useful Tips Tricks And Hacks (2005) Bbl Lotb amazon-hacks Anti-Hacker ToolKit - McGraw Hill 2E 2004 Attacking the DNS Protocol Auerbach.Practical.Hacking.Techniques.and.Countermeasures.Nov.2006 Auerbach.Pub.The.Hackers.Handbook.The.Strategy.Behind.Breaking.into.and.Defending.Networks.Nov.20 bsd-hacks ceh-official-certified-ethical-hacker-review-guide-exam-312-50.9780782144376.27422 Certified Ethical Hacker (CEH) v3.0 Official Course Computer - Hackers Secrets - e-book cracking-sql-passwords Crc Press - The Hacker'S Handbook Credit.Card.Visa.Hack.Ucam.Cl.Tr.560 DangerousGoogle-SearchingForSecrets আরও আছে বাকি গুলো পরে দিব। এই সব বই ইন্টারনেটে ফ্রী পাওয়া যায়। একটু খুজলেই পাবেন।ফালতু একটা পোস্ট করার জন্য দুঃখিত। আজকের মত এখানেই খোদা হাফেজ

জীবন বৃত্তান্ত এর নিয়মাবলী

একটি সুন্দর জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরীর নিয়ম-২




চাকরিদাতার সাথে চাকরি প্রার্থীর প্রথম যোগসূত্র হলো সিভি (Curriculum Vitae- CV) বা রিজিউম (Resume)। চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত তথ্য সম্বলিত বিবরণই অধুনা জীবন বৃত্তান্ত, বায়োডাটা, সিভি বা রিজিউম নামে পরিচিত। চাকরিদাতাদের কাছে সিভি একজন প্রার্থীর প্রতিচ্ছবি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের জীবনবৃত্তান্ত গ্রহণ করা হয়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান খুব বড় জীবনবৃত্তান্ত অপছন্দ করে। আবার কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান চাকরি প্রার্থীর খুঁটিনাটি বিষয়সমৃদ্ধ জীবনবৃত্তান্ত পছন্দ করে। তবে একটি জীবনবৃত্তান্তে নিজের যোগ্যতা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি বিষয় স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে। জীবনবৃত্তান্তে নিচের বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া উচিত—
  • একটি জীবনবৃত্তান্তে নিজের ইতিহাসের চেয়ে যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
  • নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতাকে হাইলাইটস করতে হবে।
  • সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে নিজের অভিজ্ঞতা স্পষ্ট করে তুলে ধরতে হবে।
  • জীবনবৃত্তান্তে অর্থপূর্ণ এবং আর্কষণীয় শব্দ ব্যবহার করতে হবে।
  • জীবনবৃত্তান্ত যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত এবং তথ্যবহুল করতে হবে।
  • সিভি তৈরির সময় এর বিষয়বস্তু, আঙ্গিক, কাঠামো ও ভাষা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
  • আপনার উদ্দেশ্য, ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত ট্রেনিং, অভিজ্ঞতা, কম্পিউটার ও ভাষাগত দক্ষতা এবং অন্যান্য যোগ্যতা উল্লেখ করতে হবে।
  • সিভি এক পৃষ্ঠা থেকে সর্বোচ্চ তিন পৃষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাই ভাল।
  • চাকরি সংশ্লিষ্ট এবং প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন এবং অপ্রয়োজনীয় তথ্য বাদ দিতে হবে।
  • প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বোল্ড, ইটালিকস, আন্ডারলাইনসহ অন্যান্য কম্পিউটারভিত্তিক প্রেজেন্টেশন ব্যবহার করতে হবে।
  • ভাষা হতে হবে সংক্ষিপ্ত এবং সরাসরি।
আপনার সিভিতে আপনার নিজস্ব দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কিভাবে এবং কতটুকু সাশ্রয়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলবেন, তা উল্লেখ করার চেষ্টা করুন। এ ক্ষেত্রে আপনি যে পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হতে চান, সেই পদে আপনার দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা কতটুকু তাও উল্লেখ করা যেতে পারে। তবে পৃথক পৃথক কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথকভাবে সঙ্গতিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও যথার্থ প্রস্তাব রাখতে হবে। তাহলে দেখবেন অন্যান্য গতানুগতিক সিভির চেয়ে আপনার সিভি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আকর্ষণ করবে।

জীবনবৃত্তান্তের বিভিন্ন অংশ

সিভিতে প্রার্থীকে তার সৃজনশীলতা ও মননশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হয়। তাই এক এক জনের সিভি এক এক ধরনের হওয়াটাই স্বাভাবিক। একটি জীবনবৃত্তান্তে সাধারণত যে যে অংশ থাকা আবশ্যক তা নিচে উল্লেখ হলো-
Curriculum Vitae
of

XXXXX
[Full Name]
[Address][Phone/ Mobile No.][Email Address]

OBJECTIVE
যে পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হতে চান, সেই পদে আপনার দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা কতটুকু এবং আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য দুই-তিন বাক্যের মধ্যে সংক্ষেপে তুলে ধরুন।
EXPERIENCESপদের নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম ও কার্যকাল লিখুন। প্রয়োজনে পয়েন্ট আকারে সম্পাদনকৃত কাজের ধারণাও উল্লেখ করতে হবে-[Job Title]
[Company Name & Address]
From [Date] to [Date]
[Job Title]
[Company Name & Address]
From [Date] to [Date]
EDUCATIONপরীক্ষার নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বোর্ড/ বিশববিদ্যালয়, পাসের সন, প্রাপ্ত বিভাগ/শ্রেনী/ জিপিএ এবং নম্বর (%) গুছিয়ে উপস্থাপন করুন-
  •  .........
  •  .........
SKILLS
আবেদন করতে ইচ্ছুক পদের সাথে সংগতি রেখে (সম্ভব হলে) গৃহীত বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের তথ্য লিখুন-
  •  .........
  •  .........
  •  .........
OTHER SKILLS/
EXTRA CONTRIBUTIONS
অতিরিক্ত কোনো যোগ্যতা থাকলে তা পর পর সংক্ষেপে লিখুন-
  •  .........
  •  .........
PERSONAL INFORMATIONপিতার নাম, মাতার নাম, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা, ফোন/ মোবাইল নম্বর, নিজ জেলা, জন্ম তারিখ, জাতীয়তা, ধর্ম, শখ ইত্যাদি তথ্য পর পর লিখুন-
  •  .........
  •  .........
REFERENCESঅনাত্নীয় দুই জনের নাম, সংক্ষিপ্ত ঠিকানা ও ফোন বা মোবাইল নম্বর

CV সম্পর্কে আমার প্রথম পোস্ট এখানে।

ভাল লাগলে মতামত জানাতে ভুলবেন না।